বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
আফিফ-নুরুলের জুটিতে ডাবল লিড বাংলাদেশের নাসুমের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয় ডিপ্লোমা কোর্সের প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটের তত্ত্বীয় ক্লাস আগামী ৭ই আগস্ট শুরু হবে ৫৬ বছর পর হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেলপথ খুলে দিল বাংলাদেশ-ভারত চীনে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ ভ্যাকসিন ডোজ সম্পন্নকারী পর্যটকরা সৌদি আরবে ভ্রমণ করতে পারবে রাজবাড়ীতে গত ২৪ ঘন্টায় ১৪১ জনের করোনা শনাক্ত কোভিড-১৯ মোকাবলোয় সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত করোনা টিকার আওতায় দেশের ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৯ জন মানুষ

ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান সংখ্যা নতুন রেকর্ড॥চার লাখে পৌঁছালো

  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট(ই-জিপি) পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। এর মোট সংখ্যা ৪ লাখের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
গত ২২শে জুলাই ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বানের সংখ্যা ৪ লাখ ১১০টিতে পৌঁছায়। সেই সাথে ই-জিপিতে আহ্বান করা দরপত্রের মোট মূল্যমান দাঁড়িয়েছে চার লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন,পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের(আইএমইডি) অধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট(সিপিটিইউ) ই-জিপি চালু করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারী সেবা ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের ২রা জুন ই-জিপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সিপিটিইউ জানায়, মাত্র ৮বছরের মধ্যে ই-জিপিতে সরকারী ক্রয়কারী সংস্থা ও দরপত্রদাতাদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ সরকারী সেবা ডিজিটাইজেশনে বড় ধরনের একটি সাফল্য। ওই বছরই ৪টি বড় ক্রয়কারী সংস্থাসমূহ পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন টেন্ডারিং চালু করে। ক্রয়কারী সংস্থাগুলো হচ্ছে- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। পরীক্ষামূলক অনলাইন টেন্ডারিংয়ের সফলতা অর্জনের পর ২০১২ সাল থেকে সরকারী বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থা সিপিটিইউ’র উদ্ভাবিত ই-জিপি বাস্তবায়ন শুরু করে।
গত ২২শে জুলাই পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৬৫টি সরকারী ক্রয়কারী সংস্থার মধ্যে ১ হাজার ৩৪৩টি ই-জিপির আওতায় এসেছে। আর ই-জিপিতে নিবন্ধিত দরদাতার সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৯৫। ক্রয়কারী সংস্থা ও দরপত্রদাতা উভয় পক্ষই তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ই-জিপির সুফল পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দরপত্র প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হওয়ার পাশাপাশি সময় ও অর্থের ব্যাপক সাশ্রয় হচ্ছে। টেন্ডার নিয়ে আর কোন ঝামেলাও নেই।
উল্লেখ্য, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রায় ৮০ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ অর্থ সরকারী ক্রয়ে ব্যয় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!