বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছেন আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ৭৬তম শুরু সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র মন্ত্রীর নতুন বই ‘বাংলাদেশ-একুশ শতকের পররাষ্ট্র নীতি : উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজবাড়ী জেলাকে মাদকমুক্ত করতে এমপিদের আহবান কোভিড-১৯ ও জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অনুষ্ঠিতব্য ৭৬তম অধিবেশনে অংশ নেবে ৮৩ দেশের রাষ্ট্র প্রধান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের রায় অননুমোদিত সুদের ব্যবসা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

কোভিড-১৯ মোকাবলোয় সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বাংলাদেশে সক্ষম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কোম্পানীগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই ধরনের অংশীদারিত্বের জন্য ওষুধ কোম্পানীগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
গত ২৭শে জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক সিনিয়র কর্মকর্তা রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাটের সঙ্গে এক বৈঠকে রহমান এই আহবান জানান।
রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বলেন, পিপিই’র পাশাপাশি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং ওষুধ উৎপাদন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তাদের পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেবে।
তিনি কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কোভ্যাক্স ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৫৫ লাখের অধিক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
মহামারির শুরু থেকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দুই দেশ দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা কথা স্মরণ করে রহমান ভাইরাস মোকাবিলায় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য মহামারি ব্যবস্থাপনা সরঞ্জামের বিশ্বব্যাপী উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
গত বছরের ৩০শে সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-মার্কিন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রথম বৈঠকের ফলো-আপ ছিল এই বৈঠক।
জনস্বাস্থ্যের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতির উপর কোভিড-১৯ মহামারির বিরূপ প্রভাব নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
ফলো-আপ বৈঠকে অংশগ্রহনকারীরা দুই দেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং ২০২০ সালের অংশীদারিত্ব বৈঠকের চিহ্নিত সহযোগিতার অগ্রগতির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দুটি বন্ধুত্বপ্রতীম সরকারের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরো গভীর করার জন্য বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে এবং এর বাইরেও সম্পৃক্ত থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তারা।
এ সময় তারা শ্রম অধিকার ও নিরাপত্তা, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক বিমান চলাচল পুনরায় চালুসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বাংলাদেশে শ্রম অধিকার ও নিরাপত্তা আরো উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন উপদেষ্টা।
বার্নিকাট এই খাতে বাংলাদেশের নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং আরো অগ্রগতির জন্য সহায়তার প্রস্তাব দেন।
যুক্তরাষ্ট্র কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে।
উভয় পক্ষ স্বীকার করেছে যে, ২০২০ সালের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৈঠক দুই দেশের মধ্যে চলমান সহযোগিতাকে জোরদার করেছে এবং এ বছরের শেষের দিকে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!