শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
হোমিও ডাক্তার কাজী ইমাম আজমের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী থানায় র‌্যাবের মামলা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আরো সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের নৃশংসতা ভুলতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত শান্তির সংস্কৃতি রেজুলেশন গৃহীত রাজবাড়ী থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ২জন গ্রেপ্তার রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরের আহ্বান জাতিসংঘের যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু জাপানের বাসিন্দারা বিনামূল্যে পাবেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন অভিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন –রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ বনানী কবরস্থানে স্ত্রী ড. ফরিদা হকের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।
দেশের বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাবেক এটর্নি জেনারেল গতকাল ২৪শে অক্টোবর সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৮৫ বছর বয়সে মারা যান। তিন দফা জানাজা শেষে দুপুর ৩টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।
ব্যারিস্টার রফিক-উল হক গত ১৫ই অক্টোবর থেকে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রথম দিকে তাকে কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থা কিছুটা জটিল হওয়ায় তাকে হাই ডিপেনডেন্সি কেয়ার ইউনিটে(এইচডিইউ) ভর্তি করা হয়। গত ২০শে অক্টোবর তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।
তার প্রথম জানাজা হয় সকাল সাড়ে ১০টায় মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে। এরপর কিছু সময় পল্টনের বাসায় তার মরদেহ রাখার পর নেয়া হয় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। বাদ জোহর সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেয়া হয় মরহুমের দীর্ঘদিনের কর্মস্থল সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে। সেখানে তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।
ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২রা নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে। ১৯৫৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, ১৯৫৭ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৫৮ সালে এলএলবি পাস করেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বার এট-ল সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে এবং ১৯৭৩ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। বর্ণাঢ্য জীবনে আইন পেশায় দীর্ঘ প্রায় ৬০ বছর অতিবাহিত করেন।
১৯৯০ সালের ৭ই এপ্রিল থেকে ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ব্যারিষ্টার রফিক-উল হক। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোনো সম্মানী নেননি। পেশাগত জীবনে তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত হননি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তার জীবনের উপার্জিত অর্থের প্রায় সবই ব্যয় করেছেন মানুষের কল্যাণ ও সমাজসেবায়। দলমত নির্বিশেষে সকলে বরেণ্য এই আইনজীবীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।
ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!