সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে রেকর্ড সংখ্যক লোক করোনায় সংক্রমিত মিশরে বালুর নিচে সাড়ে ৩ হাজার বছরের বেশী প্রাচীন নগরীর সন্ধান বিশ্বব্যাপী ১দিনে করোনায় নতুন করে ৬ লাখ ৬৭ হাজার আক্রান্ত আর্জেন্টিনায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কারফিউ ঘোষণা পহেলা বৈশাখে জনসমাগম করা যাবে না : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশ্ব ব্যাংকের কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে অর্থমন্ত্রী কামাল আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে অফিসের সময়সীমা পুননির্ধারণ করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের আইজিপির নির্দেশ আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২৬শে মার্চকে বাংলাদেশ দিবস ঘোষণা করেছেন ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র

মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান রাজবাড়ীর চক কেষ্টপুরের লতিফ খান

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার চক কেষ্টপুর গ্রামের মৃত কাবিল খানের ছেলে লতিফ খান(৭৪) একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। জীবন বাজী রেখে শত্রুদের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনেন। কিন্তু আজও তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।
গতকাল ৪ঠা ডিসেম্বর তিনি জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানীতে গিয়ে তার বেদনার কথা তুলে ধরেন এবং মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করার লিখিত আবেদন করেন।
আবেদনে লতিফ খান উল্লেখ করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ছাত্র ছিলেন। ওই অবস্থায়ই তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তার প্রশিক্ষক ছিলেন সেনা সদস্য আঃ হাকিম। রাজবাড়ী সদর উপজেলার চরধুঞ্চি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাইফেল চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়ে ৮নং সেক্টরের কমান্ডার মঞ্জুর অধীনে যুদ্ধকালীন কমান্ডার ডাঃ কামরুল হাসান লালীর সাথে রাজবাড়ী শহরের নিউ কলোনী, রেল কলোনী ও লোকোসেড এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী সশস্ত্র বিহারীদের সাথে জীবন বাজী রেখে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বয়স বেড়ে যাওয়ায় তার শরীরে নানা রোগ বাসা বেধেছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তি করার লক্ষ্যে সকল যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সরকারের নিকট তার আবেদন মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে তিনি মরে গেলেও শান্তি পাবেন।
তার আবেদন গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদনপত্র প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!