শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বব্যাপী ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে আইসোলেশন মেয়াদ অর্ধেক করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ডেল্টা ও বিটার তুলনায় তিন গুণের বেশী পুনঃ সংক্রমন ঘটাতে পারে : গবেষণা প্রতিবেদন জাতিসংঘ ভবনের বাইরে এক বন্দুকধারী গ্রেফতার শান্তি চুক্তির পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে কলম্বিয়া সফর জাতিসংঘ মহাসচিব সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সাক্ষাৎ করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রিয়ায় লকডাউন করোনা সংক্রমণ বাড়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ভারতে নতুন করে ১০ হাজার ৩০২ জন করোনায় আক্রান্ত নভেম্বর মাসজুড়ে করাঞ্চলে কর মেলার সেবা পাবেন করদাতারা ঔপনিবেশিক আমলের ফৌজদারী কার্যবিধি যুগোপযোগী হচ্ছে

‘আমার গ্রাম আমার শহর’-যে বীজ বপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজেই

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৯

॥ নাঈমুজ্জামান মুক্তা ॥আমরা ছোটবেলায় পড়েছি বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। অর্থাৎ জালের মতো ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য নদী মায়ের মতো আগলে রেখেছে এই ব-দ্বীপের গড়ে ওঠা হাজারো গ্রামকে। নদীর মতো সরল এবং সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের জনপদে লুণ্ঠন করতে বারবার হানা দিয়েছে দস্যুরা। হাজার বছরের পরাধীন এই বাংলাকে মুক্ত করতে ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু ‘জয় বাংলা’ মন্ত্রে উজ্জীবিত করে, সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছিলেন। মহানায়কের জন্মশত বার্ষিকী’র প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধু কন্যা ঘোষণা করেছেন ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’। আর এর কেন্দ্রীয় অঙ্গীকার হচ্ছে-‘আমার গ্রাম আমার শহর’।
পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যে স্বৈরশাসকরা ক্ষমতায় আসে তাদেরও মূলমন্ত্র হয়ে ওঠে দখল ও লুণ্ঠন। ফলে সোনার বাংলার স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ে। একদিকে তথাকথিত তিলোত্তমা নগর নির্মাণ অন্য দিকে নদী-হাওড় দখলের মধ্য দিয়ে নদীমাতৃক বাংলার খোলনলচে পাল্টে যায়। এমন একটি প্রেক্ষাপটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে ২০১৮ সালের ১৮ই ডিসেম্বর ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইতিপূর্বে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ‘দিন বদলের সনদ’ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শিরোনামে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ।
‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ ইশতেহারে ২১টি বিশেষ অঙ্গীকার করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’- বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ অঙ্গীকারের আওতায় দেশের প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে প্রতিটি গ্রামকে শহরে উন্নীত করার কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবো’। ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ শ্লোগানটিতে এই প্রথম গ্রাম কেন্দ্রীক উন্নয়ন চিন্তা-ভাবনা রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে স্থান পেয়েছে। এই প্রথম খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক-জনতা উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
‘আমার গ্রাম আমার শহর’ অঙ্গীকারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে স্পষ্টভাবে। তার উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে সমাজের পিছিয়ে পড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে সর্বাধিক সুবিধা দিয়ে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা। এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে আমাদের সামনে। দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন সরকারের বটম-আপ দর্শনের চমৎকার নিদর্শন। তিনি জানেন এবং বিশ্বাস করেন উন্নয়নের ‘চুইয়ে পড়া তত্ত্ব (ঞৎরপশষব-উড়হি ঞযবড়ৎু)’ কখনই কার্যকর হতে পারে না। তাই তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যা সাধারণ মানুষের চোখ দিয়ে দেখেছেন। শুরু করেছেন শেকড় থেকে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে এ বিষয়ে স্পষ্ট বলা আছে। আমাদের সংবিধানের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব বিষয়ে বলা হয়েছে যে, ‘নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন-যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষি বিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরণের ব্যবস্থা, কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তর সাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন’।
গ্রাম হবে শহর-কথাটির মর্মার্থ না বুঝে অনেকে ভেবেছেন দেশের সকল গ্রামকে বুঝি শহর বানানো হবে! মজার বিষয় হলো, নির্বাচনী ইশতেহারে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে আধুনিক গ্রাম নির্মাণের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রাম-বাংলার ভূ-প্রাকৃতিক বিন্যাস ও নৈসর্গিক বৈচিত্র অক্ষুন্ন রেখে, গ্রামের স্বকীয়তা বজায় রেখে শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রামেই যাতে পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। নদী-নালা, খাল-বিল, হাওড়-বাওড়, পুকুর, গাছপালা, বন-বাদাড়, তরু, লতা-গুল্ম, দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ, ক্ষেত-খামার, বন-বীথি সব ঠিক রেখেই গড়ে তোলা হবে পরিবেশ বান্ধব আধুনিক বাংলাদেশ। অস্বীকার করার উপায় নাই যে, গ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশে প্রাণ। তাই গ্রাম বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ।
নির্বাচনী ইশতেহারে আধুনিক গ্রামে কী থাকবে এ বিষয়ে কতিপয় লক্ষ্য ও পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এসব পরিকল্পনা ও লক্ষ্যসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো উন্নত রাস্তাঘাট, যোগাযোগ, সুপেয় পানি, আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা ও সুচিকিৎসা, মানসম্পন্ন শিক্ষা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সরবরাহ বৃদ্ধি, কম্পিউটার ও দ্রুত গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ মানসম্পন্ন ভোগ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক শহরের সকল সুবিধাদি দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। গ্রামের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সরবরাহ আরও বাড়ানো ও নির্ভরযোগ্য করার লক্ষ্যে গ্রুপভিত্তিক বায়োগ্যাস প্লান্ট ও সৌরশক্তি প্যানেল বসানোর উৎসাহ ও সহায়তা দেওয়া হবে। গ্রাম পর্যায়ে কৃষিযন্ত্র সেবাকেন্দ্র, ওয়ার্কশপ স্থাপন করে যন্ত্রপাতি মেরামতসহ গ্রামীণ যান্ত্রিকায়ন সেবা সম্প্রসারণ করা হবে এবং এসবের মাধ্যমে গ্রামীণ যুবক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান করা হবে। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া হবে।
‘আমার গ্রাম, আমার শহর’-এই ব্যতিক্রমধর্মী ধারণা জনমনে ব্যাপক সাড়া ফেলে, যার ফলস্বরূপ আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’-এর অর্থ হলো গ্রাম-বাংলার প্রাকৃতিক রূপ অটুট রেখে শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওয়া। গ্রাম কেন্দ্রীক চিন্তা-ভাবনার মূলে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণা এবং স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় গ্রামীণ সমবায়ের ভাবনার কথা বলেছেন এভাবে-‘প্রতি গ্রামে যৌথ চাষ হবে এবং ফসলের ভাগ যাবে মালিক, শ্রমিক ও গ্রাম তহবিল-এই তিন জায়গায়।’ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার অনবদ্য রচনা ‘ওরা টোকাই কেন’ গ্রন্থের প্রথম প্রবন্ধ ‘স্মৃতির দক্ষিণ দুয়ার’-এ বলেছেন, গ্রামের উন্নয়ন প্রক্রিয়া বলতে আমি কোন ছিটেফোঁটা বা সাময়িক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাসী নই। যুগ যুগ ধরে অন্ধকারে পড়ে থাকা পশ্চাদপদ জীবনযাত্রার অভ্যস্ত কৃষি ব্যবস্থার প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সামগ্রিক সংস্কার করে আধুনিক গ্রাম গড়ে তুলতে হবে। আমি কোন অনুদানমূলক বা প্রতিশ্রুতিপূর্ণ উন্নয়ন নয়, টোটাল বা সামগ্রিক উন্নয়ন চাই।” এ জন্য প্রয়োজনে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলতে এবং শিক্ষিত সচেতন তরুণ সমাজকে কাজে নামাতে আহ্বান জানান।
গ্রাম-বাংলাকে বাইরে রেখে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কিছুতেই সম্ভব নয়। তাই শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় গ্রামীণ জনপদের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছেন বারবার। প্রথম দফায় দেশ পরিচালনায় এসে ১৯৯৯ সালের ২০শে মে শহরের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী অবহেলিত, অসহায় এবং ভাগ্য বিড়ম্বিত ছিন্নমূল মানুষদের গ্রামের আপন ঠিকানায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ‘ঘরে ফেরা কর্মসূচী’ হাতে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদলের পর বন্ধ হয়ে যায় ‘ঘরে ফেরা কর্মসূচী’। এছাড়া একটি বাড়ী একটি খামার, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলে কাজ করেছেন তিনি।
শেখ হাসিনা ‘স্মৃতির দক্ষিণ দুয়ার’ প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘আমার শৈশবের স্বপ্নরঙিন দিনগুলো কেটেছে গ্রাম-বাংলার নরম পলিমাটিতে, বর্ষার কাদা-পানিতে, শীতের মিষ্টি রোদ্দুরে, ঘাসফুল আর পাতায় পাতায় শিশিরের ঘ্রাণ নিয়ে, জোনাক-জ্বলা অন্ধকারে ঝিঁঝির ডাক শুনে…।’ তিনি লিখেছেন, ‘গ্রামকে তো আমি শৈশবের গ্রামের মতো করেই ফিরে পেতে চাই’। ‘গ্রামীণ অর্থনৈতিক অবস্থা কিছু কথা’ প্রবন্ধে শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘গ্রামকেই করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি এমন একটা গ্রামের স্বপ্ন দেখিয়েছেন যেখানে গ্রামে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ পাবে শহুরে জীবনের নানা সুযোগ-সুবিধা, কৃষকের সন্তান গ্রামের স্কুলে সেই মানের শিক্ষা লাভ করবে, যে মান পাওয়া যায় রাজধানীর নামি-দামি স্কুলে, গ্রামের চিকিৎসা কেন্দ্রেই পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় সাধারণ চিকিৎসা সেবা, টেলি মেডিসিন এবং ছোট ছোট রোগ সারানোর জন্য ঢাকামুখী যাতায়াত করতে হবে না, ডিজিটাল প্রযুক্তির কল্যাণে উপজেলা বা জেলা শহরে না গিয়েও পাওয়া যাবে সরকারী সেবা।
আমার গ্রাম-আমার শহর কর্মসূচীর সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন ব্যাপক ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এ লক্ষ্যে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের গড়ে তোলা হচ্ছে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এই বিশেষ অঞ্চলগুলো।
শেখ হাসিনা শুধু বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারীই নন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যোগ্য উত্তরাধিকারীও বটে। তাই ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে, সাধারণ মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন তারই যোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, মহাভারতে বকরূপী যমরাজ, যুধিষ্ঠিরকে জিজ্ঞেস করেছিলেন-সুখী কে? উত্তরে যুধিষ্ঠির বলেছিলেন-অপ্রবাসী, অঋণী ও দিনান্তে শাকান্ন ভোজী যে, সেই সুখী। যারা ক্ষুন্নিবৃত্তির তাগিদে অথবা অন্য কোন কারণে স্বদেশ ত্যাগ করে বিদেশে বসবাস করতে বাধ্য হয়, তারাই প্রবাসী। আর যারা স্বদেশ ভূমিতে স্বমহিমায় অধিষ্ঠিত, তারাই অপ্রবাসী। শেখ হাসিনা স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশে খাওয়ার জন্য কেউ আর তার শেকড় ছেড়ে প্রবাসী হবে না-এটাই আমাদের স্বপ্ন, আমাদের চাওয়া। -পিআইডি প্রবন্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!