॥মোক্তার হোসেন॥ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন থেকে নবনির্মিত ভবনে অফিস স্থানান্তর করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রিতার আভাস পাওয়া গেছে।
জানা যায়, পাংশা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫২ টাকার চুক্তিমূল্যে পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণ কাজ সাম্প্রতিক সময়ে শেষ হয়েছে। কিংডম বিল্ডার্স লিমিটেড নামক নির্মাণ সংস্থা পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণ করেছে। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু বর্তমানে নতুন করে ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনে রিভাইজ প্রকল্প দেওয়ার কারণে পাংশা উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন থেকে নবনির্মিত ভবনে অফিস স্থানান্তর করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রিতা করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে পাংশা উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তর ও উপজেলা শিক্ষা অফিস উপজেলা পরিষদের নতুন শেডে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে। সর্বশেষ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাল বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটিও উপজেলা পরিষদের নতুন শেডে অনুষ্ঠিত হয়। পুরাতন ভবন থেকে নবনির্মিত ভবনে অফিস স্থানান্তর করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ অধীর আগ্রহে রয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদার কর্তৃক হস্তান্তর না হওয়ায় ভবনের কক্ষ বরাদ্দ প্রদান করতে পারছেন না উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কমিটি।
এ ব্যাপারে পাংশা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর বাদশা জানান, পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণ কাজ শেষ হলেও নতুন করে সোলার প্যানেল স্থাপনে রিভাইজ প্রকল্প জমা দেওয়ার কারণে ভবন হস্তান্তরে দাপ্তরিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রসঙ্গত ঃ পাংশা উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পড়ে বিভিন্ন দপ্তরের অফিস কক্ষে ছাদের রড বের হয়ে গেছে। এর আগে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে ছাদের বেশ কিছু অংশ জুড়ে পলেস্তার ধ্বসে পড়ায় দ্বিতীয় তলা থেকে নীচ তলায় অফিস স্থানান্তর করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হাসান ওদুদ। কাল বৈশাখী ঝড় মেঘের এ সময়ে ঝুঁকি নিয়ে পুরাতন ভবনে অফিস করা অনেকেই নিরাপদ মনে করছেন না। নতুন ভবনে অফিস স্থানান্তর জরুরী বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।