বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বব্যাপী ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে আইসোলেশন মেয়াদ অর্ধেক করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ডেল্টা ও বিটার তুলনায় তিন গুণের বেশী পুনঃ সংক্রমন ঘটাতে পারে : গবেষণা প্রতিবেদন জাতিসংঘ ভবনের বাইরে এক বন্দুকধারী গ্রেফতার শান্তি চুক্তির পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে কলম্বিয়া সফর জাতিসংঘ মহাসচিব সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সাক্ষাৎ করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রিয়ায় লকডাউন করোনা সংক্রমণ বাড়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ভারতে নতুন করে ১০ হাজার ৩০২ জন করোনায় আক্রান্ত নভেম্বর মাসজুড়ে করাঞ্চলে কর মেলার সেবা পাবেন করদাতারা ঔপনিবেশিক আমলের ফৌজদারী কার্যবিধি যুগোপযোগী হচ্ছে

রাজবাড়ীতে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৮

॥আসহাবুল ইয়ামিন রয়েন॥ জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে “উন্নয়ন আর আইনের শাসনে এগিয়ে চলছে দেশ, লিগ্যাল এইডের সুফল পাচ্ছে সারা বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ী জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে গতকাল ২৮শে এপ্রিল সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচন সভা এবং দিনব্যাপী রক্তদান কর্মসূচী ও লিগ্যাল এইড মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমিনুল হকের নেতৃত্বে থেকে বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র‌্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী(কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ) আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী,এমপি, জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলী, পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বিপিএম-সেবা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক(জেলা জজ) শারমিন নিগার, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ রহিম বক্স, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ এম.এ খালেক, জেলা জজশীপ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর বিচারকগণ, জেলা বারের সভাপতি এডঃ শফিকুল আজম মামুন, সাধারণ সম্পাদক এডঃ খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি খান মোঃ জহুরুল হক, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা বার এসোসিয়েশনের সদস্যগণ, আইনজীবী সহকারীগণ, এনজিও প্রতিনিধিগণ, জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণসহ সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন।

 

র‌্যালী শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বেলুন ও শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে প্রধান অতিথি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী এমপিসহ অন্যান্য অতিথিগণ লিগ্যাল এইডের দিবসের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী(কারিগরী ও মাদ্রাসা শিক্ষা) ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমিনুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রামচন্দ্র দাস, জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলী, পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি,বিপিএম-সেবা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) শারমিন নিগার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ এম.এ খালেক বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেন যুগ্ম-জেলা জজ ২য় সৈয়দ মাসফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা ও উপস্থাপনা করেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সহকারী জজ ইশরাত জাহান ও সহকারী জজ মোঃ ই

 

মরান আহম্মেদ।
এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে জেলা বারের সাবেক সভাপতি এডঃ গণেশ নারায়ণ চৌধুরী, সভাপতি এডঃ শফিকুল আজম মামুন, সাধারণ সম্পাদক এডঃ খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, জিপি এডঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিপি এডঃ উজির আলী শেখ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এডঃ পিলা রাণী সেন ও এডঃ জয়নাল আবেদীন, রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি খান মোঃ জহুরুল হক, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি নেফাজ উদ্দিন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি থেকে আইনী সহায়তা প্রাপ্ত মিতু খাতুন, রাফিজা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন বিচার প্রার্থী জনগণকে সরকারী খরচে আইনজীবী নিয়োগসহ বিভিন্নভাবে আইনী সহায়তা প্রদান করে আসছেন। এ উদ্যোগ আরও কার্যকর ও ফলপ্রসু করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সাল থেকে ২৮শে এপ্রিলকে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ঘোষণা করেন। মূলত সরকার বিচার বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষসহ সকলেই যাতে সঠিক আইনী সেবা পেতে পারে সেই লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন প্রণয়নসহ লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করেছিল। বর্তমানে অনেকে বিষয়টি না বুঝে বলে যে, মন্ত্রী ও এমপিরা বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করে যা আদৌ সত্য নয়। স্বচ্ছ ও ন্যায় বিচারসহ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করে না, বিষয়টি সকলেরই জানা। জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের সকল মানুষ সরকারের এই মহান উদ্যোগ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে যাতে বিনা খরচে আইনী সুবিধা পায় সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও তিনি তার বক্তব্যে রাজবাড়ী জেলার নারী ও শিশুরা যাতে সঠিক বিচার

 

পায় সেই জন্য নারী ও শিশু আদালতের বিচারকের যোগদান, বিচারপ্রার্থীদের আইনী সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে কোন রকম হয়রানী বা মামলার বিচার কাজ বিলম্বিত না করা, জেলার বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার, মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনের কঠিন প্রয়োগ ও মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টদের জামিন না দেয়া, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার মাধ্যমে দেশের বেকার সমস্যার সমাধানে কাজ করাসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বক্তব্যের শেষে তিনি ভারতের বিখ্যাত শিল্পী ভুপেন হাজারিকার ‘মানুষ মানুষের জন্য’ গানটি গেয়ে শোনান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান রাম চন্দ্র দাস বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু যখন রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ করেন তখন দেশের সকল মানুষ সাংবিধানিকভাবে যাতে সমান আইনের শাসন পেতে পারে সেভাবে আইন প্রণয়ন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই সম আইনের শাসনকে আরও তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃতি ঘটানোর জন্য ২০০০ সালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন প্রণয়ন করেন। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ। সকলেই যাতে সঠিক আইনের শাসন পেতে পারে তারই জন্য এই আইনকে আরও কার্যকর করতে হবে। তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে অসহায় মানুষের মধ্যে যাতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয় তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জে

 

লা ও দায়রা জজ মোঃ আমিনুল হক বলেন, দেশের গরীব, দুঃখী সাধারণ মানুষ যারা আইনী সহায়তা থেকে বঞ্চিত তাদের বিনা পয়সায় সরকারী খরচে আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য আজকের দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। কেননা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশের আপামর জনসাধারণের আইনী সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে ২০১৩ সাল থেকে ২৮শে এপ্রিলকে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে প্রতি বছর ২৮শে এপ্রিলকে জাতীয় আইনগত দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সার্বজনীন ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মা

 

নী, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনা পয়সায় আইনী সহায়তা প্রদান করছে। এই লক্ষ্যে প্রত্যেক জেলায় জেলা ও দায়রা জজের নেতৃত্বে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, হতদরিদ্রদের বিনা খরচে সরকারী আইনী সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। যার বাস্তবায়নের ধারাকে আরও তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ী জেলায় ২০১৩ সালে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ফৌজদারী, দেওয়ানী ও পারিবারিক বিভিন্ন মামলার নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর চেয়ে ভবিষ্যতে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে এই কার্যক্রম যাতে জেলার তৃণমূল পর্যায়ে গরীব, দুঃখী অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সকল সদস্যসহ জেলাবাসী সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়াও দিবসটিকে সফল করার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা চেম্বার অব কমার্স সভাপতি কা

 

জী ইরাদত আলী, জেলা বার এসোসিয়েশন, রাজবাড়ী স্থানীয় ২টি দৈনিকের সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলী বলেন, মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য সবচেয়ে বেশী বিনা বিচারে জেলে থেকেছেন। যা তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশী অনুধাবন করেছেন। সেই অনুধাবন থেকে তিনি প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর দেশের একটি মানুষকেও যাতে বিনা বিচারে জেল খাটতে না হয় সেই জন্য ২০০০ সালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান আইন প্রণয়ন করেন। এই আইন প্রণয়নের পর ক্ষমতায় না থাকাকালীন সময়ে এই আইনের বাস্তবায়ন আর আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীতে তিনি পুনরায় ক্ষমতায় এসে ২০১৩ সালের ২৮শে এপ্রিল থে

 

কে আইনটি কার্যকর করাসহ দিনটিকে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন এবং জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়। যার মাধ্যমে দেশের গরীব, দুঃখী অসহায় আপামর মানুষ বিনা খরচে আইনী সহায়তা পাচ্ছে। এই কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসু করতে আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও তিনি তার বক্তব্যে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্বের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ গ্রহণের পূর্বে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের অসহায় সাধারণ মানুষ সঠিক আইনী সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যক্রম সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আইনী সুবিধা প্রাপ্তি বিনা খরচে অনেকটা নিশ্চিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা সকলে ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে জেলা লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে পারব। সেই লক্ষ্যে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি তৃণমূল পর্যায়ে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যক্রম ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
আলোচনা সভার শেষে প্রধান অতিথি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী রক্তদান কর্মসূচী ও জেলা লিগ্যাল এইড মেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় সভাপতি, বিশেষ অতিথি ও অন্যান্য অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আলোচনা সভার পূর্বে প্রধান অতিথি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী এমপিকে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমিনুল হক জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং বক্তব্যের শেষে ক্রেস্ট প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!