শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ১১:২৬ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে শিগগিরই কোভিড ভ্যাকসিন পাবে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শনিবার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের কাছে ৬৬ হাজার ১৮৯ বাড়ি হস্তান্তর করবেন তথ্যমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরামের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ গ্রহণ কয়েক দশকের মধ্যে নতুন যুদ্ধ শুরু না করা প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতা ছাড়ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করোনা ভাইরাসের টিকার বিষয়ে ইউরোপকে আশ্বস্ত করলো ফাইজার যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ নেয়ার আগেই হোয়াইট হাউস ছাড়বেন ট্রাম্প সমুদ্র সুরক্ষা ও নীল অর্থনীতি বিকাশে এডিবি, ইআইবি এক জোট

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে বিশ্ব ব্যাংকের ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুমোদন

  • আপডেট সময় রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ বিশ্ব ব্যাংকের বোর্ড অব এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টরস বাংলাদেশের মডার্ন ফুড স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি প্রজেক্টের জন্য অতিরিক্ত ২০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থায়নে অনুমোদন দিয়েছে। দেশের ৪৫ লাখ পরিবারের জন্য জাতীয় কৌশলগত শস্য মজুদ ৫ কোটি ৩৫ হাজার ৫শ টন করতে সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই অনুমোদন দেয়া হয়।
আজ ২রা আগস্ট বিশ্বব্যাংকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রকল্প ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা কোভিড-১৯ মহামারির মতো সংকটের সময়ে বাংলাদেশের খাদ্য অনিশ্চয়তা মোকাবেলায় সহায়তা করবে।
প্রকল্পের আওতায় আটটি জেলায় ধান ও গম মজুদে সরকারী ৮টি আধুনিক গুদাম নির্মাণে সহায়তা দেয়া হবে।
বর্তমানে আশুগঞ্জ, মাধবপুর ও ময়মনসিংহে এ ধরণের গুদাম তৈরির কাজ চলছে। অতিরিক্ত অর্থ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও বরিশালে ধানের গুদাম এবং চট্টগ্রাম ও মহেশ্বরপাশায় গমের গুদাম নির্মাণে ব্যয় হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অতিরিক্ত এই অর্থ অনলাইন ফুড স্টক এন্ড মার্কেট মনিটরিং সিস্টেম (এফএসএমএমএস)-এর মাধ্যমে শস্য মজুদ ব্যবস্থাপনা দক্ষতার উন্নয়ন এবং পরিবারগুলোর দুর্যোগোত্তর চাহিদা পূরণে শস্য মজুদ সক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেবে।
এছাড়া, এই প্রকল্প বিশেষ করে নারীদের জন্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভূটানে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আনিস বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ লোক গ্রামে বাস করে। তাদের জীবনযাপন, কল্যাণ ও খাদ্য নিরাপত্তা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত হুমকির কবলে রয়েছে।
তিনি বলেন, আধুনিক এই খাদ্য মজুদ পদ্ধতি এবং কার্যকর বিতরণ পদ্ধতি যৌথভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শেষে কিংবা বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারির মতো সংকটকালে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক হবে।
এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের টিম লিডার ক্রিশ্চিয়ান বার্গার বলেন, বর্তমানে সরকারী খাদ্য বিতরণ ও শস্য গুদামে ২০ লাখ টন মজুদের সক্ষমতা রয়েছে। এসব গুদামের অধিকাংশের মান খুব খারাপ। ফলে, মজুদকৃত শস্যের গুণগত মান ও পুষ্টিমূল্য হারায়। এই প্রকল্প শস্য মজুদ দক্ষতাকে বাড়িয়ে তুলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!