শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আরো সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের নৃশংসতা ভুলতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত শান্তির সংস্কৃতি রেজুলেশন গৃহীত রাজবাড়ী থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ২জন গ্রেপ্তার রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরের আহ্বান জাতিসংঘের যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু জাপানের বাসিন্দারা বিনামূল্যে পাবেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন অভিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন –রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৩তম বর্ষপূর্তি আজ

ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান সংখ্যা নতুন রেকর্ড॥চার লাখে পৌঁছালো

  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট(ই-জিপি) পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। এর মোট সংখ্যা ৪ লাখের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
গত ২২শে জুলাই ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বানের সংখ্যা ৪ লাখ ১১০টিতে পৌঁছায়। সেই সাথে ই-জিপিতে আহ্বান করা দরপত্রের মোট মূল্যমান দাঁড়িয়েছে চার লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন,পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের(আইএমইডি) অধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট(সিপিটিইউ) ই-জিপি চালু করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারী সেবা ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের ২রা জুন ই-জিপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সিপিটিইউ জানায়, মাত্র ৮বছরের মধ্যে ই-জিপিতে সরকারী ক্রয়কারী সংস্থা ও দরপত্রদাতাদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ সরকারী সেবা ডিজিটাইজেশনে বড় ধরনের একটি সাফল্য। ওই বছরই ৪টি বড় ক্রয়কারী সংস্থাসমূহ পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন টেন্ডারিং চালু করে। ক্রয়কারী সংস্থাগুলো হচ্ছে- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। পরীক্ষামূলক অনলাইন টেন্ডারিংয়ের সফলতা অর্জনের পর ২০১২ সাল থেকে সরকারী বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থা সিপিটিইউ’র উদ্ভাবিত ই-জিপি বাস্তবায়ন শুরু করে।
গত ২২শে জুলাই পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৬৫টি সরকারী ক্রয়কারী সংস্থার মধ্যে ১ হাজার ৩৪৩টি ই-জিপির আওতায় এসেছে। আর ই-জিপিতে নিবন্ধিত দরদাতার সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৯৫। ক্রয়কারী সংস্থা ও দরপত্রদাতা উভয় পক্ষই তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ই-জিপির সুফল পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দরপত্র প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হওয়ার পাশাপাশি সময় ও অর্থের ব্যাপক সাশ্রয় হচ্ছে। টেন্ডার নিয়ে আর কোন ঝামেলাও নেই।
উল্লেখ্য, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রায় ৮০ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ অর্থ সরকারী ক্রয়ে ব্যয় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!