রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ভাষণের পূর্ণ বিবরণ পাংশার কসবামাজাইলে স্বস্তি॥আসাদুল হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবীতে মিছিল॥মিষ্টি বিতরণ ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ লাখ॥বিশ্বে ৩ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়েছে জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণের দিনটি ‘বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্ট ডে’ পালনে নিউইয়র্কে কর্মসূচি গ্রহণ ইউএনজিএ-৭৫ “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর” জাপানের পররাষ্ট্র ভাইস মিনিস্টারের কাছে রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের পরিচয় পত্রের অনুলিপি পেশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পিএসসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইউএনজিএ-৭৫ : “ডিজিটাল সহযোগিতায় শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ” করোনা মোকাবেলায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিএসসি’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইনের শপথ গ্রহণ

গ্রীনলাইন পরিবহনের কর্তৃপক্ষের কাছে পলাতক চালকের তথ্য চেয়েছে পুলিশ

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২০

॥সোহেল মিয়া॥ গত ১২ই জানুয়ারী দুপুরে ঢাকা-খুলনা জাতীয় মহাসড়কের রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বড়ব্রীজ এলাকায় দুর্ঘটনায় ৫জন মাহেন্দ্র যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত করছে আহলাদীপুর হাইওয়ে থানার এস.আই মিজানুর রহমান।
ইতিমধ্যে তিনি দুর্ঘটনা ঘটানো গ্রীনলাইন পরিবহনের কর্তৃপক্ষের বাসটির(ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-০৬৮৩) পলাতক চালকের পূর্ণাঙ্গ তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য চেয়েছেন। সেগুলো হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বাস চালকের পরিচয় শনাক্ত ও তদন্তের অগ্রগতি হচ্ছে না। দুর্ঘটনার পর থেকে বাসটি আহলাদীপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দৌলতদিয়ার মোস্তফা শেখের ছেলে রাশেদুল শেখ বাদী হয়ে রাজবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর আহলাদীপুর হাইওয়ে থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু দুর্ঘটনার সময়ই গ্রীনলাইন পরিবহনের বাসটির চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় এবং তাদের নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে। এ জন্য বাসটির চালকের নাম-ঠিকানাসহ সম্পূর্ণ তথ্য চেয়ে বাস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া চালকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপিও চাওয়া হয়েছে। বাস কর্তৃপক্ষ এ সকল তথ্য ও কাগজপত্র দেওয়ার পর পরবর্তী কার্যক্রম চালানো হবে। যতদিন পর্যন্ত কাগজপত্র হাতে না পাওয়া যাবে ততদিন পর্যন্ত জব্দকৃত বাসটি পুলিশ হেফাজতেই থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর