বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কামাল বেঁচে থাকলে দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতো : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিনহা হত্যাকান্ডে তদন্তে যাদের নাম আসবে তাদের সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে : যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দু’বাহিনী প্রধান বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৪জন বাংলাদেশী নিহত : আহত ১০০ জন করোনা মহামারির মধ্যে অর্থনৈতিক ধস বিশ্বে সহিংসতা আরো বাড়িয়ে দেবে : জাতিসংঘ পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক মেজর সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন : দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আশ্বাস জরুরী প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে না যাওয়ার নির্দেশনা॥দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়নে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত॥প্রশাসন নীরব! বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে বিশ্ব ব্যাংকের ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুমোদন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান রাজবাড়ীর চক কেষ্টপুরের লতিফ খান

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার চক কেষ্টপুর গ্রামের মৃত কাবিল খানের ছেলে লতিফ খান(৭৪) একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। জীবন বাজী রেখে শত্রুদের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনেন। কিন্তু আজও তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।
গতকাল ৪ঠা ডিসেম্বর তিনি জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানীতে গিয়ে তার বেদনার কথা তুলে ধরেন এবং মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করার লিখিত আবেদন করেন।
আবেদনে লতিফ খান উল্লেখ করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ছাত্র ছিলেন। ওই অবস্থায়ই তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তার প্রশিক্ষক ছিলেন সেনা সদস্য আঃ হাকিম। রাজবাড়ী সদর উপজেলার চরধুঞ্চি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাইফেল চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়ে ৮নং সেক্টরের কমান্ডার মঞ্জুর অধীনে যুদ্ধকালীন কমান্ডার ডাঃ কামরুল হাসান লালীর সাথে রাজবাড়ী শহরের নিউ কলোনী, রেল কলোনী ও লোকোসেড এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী সশস্ত্র বিহারীদের সাথে জীবন বাজী রেখে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বয়স বেড়ে যাওয়ায় তার শরীরে নানা রোগ বাসা বেধেছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তি করার লক্ষ্যে সকল যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সরকারের নিকট তার আবেদন মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে তিনি মরে গেলেও শান্তি পাবেন।
তার আবেদন গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদনপত্র প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর