সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে স্থায়ী কমিটির সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়ে দৈনিক ১হাজার ছাড়িয়েছে অগ্রগতির পথে আলোকের রথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ভাষণের পূর্ণ বিবরণ পাংশার কসবামাজাইলে স্বস্তি॥আসাদুল হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবীতে মিছিল॥মিষ্টি বিতরণ ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ লাখ॥বিশ্বে ৩ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়েছে জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণের দিনটি ‘বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্ট ডে’ পালনে নিউইয়র্কে কর্মসূচি গ্রহণ ইউএনজিএ-৭৫ “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর” জাপানের পররাষ্ট্র ভাইস মিনিস্টারের কাছে রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের পরিচয় পত্রের অনুলিপি পেশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পিএসসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

হাঁটলেই চার্জ হবে মোবাইল!

  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৯

॥মাতৃকণ্ঠ ডেস্ক॥ মোবাইল চার্জ নিয়ে উদ্ভাবনের বিষয়টি পুরোনো। তবুও নতুন নতুন পদ্ধতি আবিস্কার করে যাচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা। তবে ভারতের রাজধানী দিল্লীর দুই শিক্ষার্থী ভেঙে ফেলেছে বিগত উদ্ভাবনগুলোর রেকর্ড। তারা এমন একটি পদ্ধতি আবিস্কার করেছেন, যাতে শুধু হাঁটলেই চার্জ হবে মোবাইল। পথে হাঁটতে হাঁটতেই চার্জ হবে মোবাইল ফোন। ১৯ বছর বয়সী দিল্লির মোহক ভাল্লা এবং আনন্দ গঙ্গাধারণ এমনই এক নতুন পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন। দুই বন্ধু দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই এমন একটি চার্জার বানানোর পরিকল্পনা করেন। এর পর মাত্র তিন মাসের মধ্যে প্রথম মডেলটি বানিয়ে ফেলেন। তারা এটির নাম দিয়েছেন ‘ওয়াকিং চার্জার’। প্রথমদিকে এই মডেলটিতে কিছু সমস্যা ছিল। তাও খুঁজে খুঁজে ঠিক করে ফেলেছে মোহক ও আনন্দ। আগামী দুই বছরের মধ্যে বাজারে আসতে পারে এই চার্জার। মোহক ও আনন্দের বয়স এখন ১৯। দুজন জানিয়েছেন, সাধারণ মোবাইল চার্জারের চেয়ে ২০ শতাংশ কম সময়ে চার্জ হবে এই ওয়াকিং চার্জার। এর ব্যবহার সম্পর্কে তারা জানিয়েছেন, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইনডাকশন পদ্ধতিতে কাজ করে এই যন্ত্র।

কী ভাবে কাজ করে এই চার্জার?

ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইনডাকশন পদ্ধতিতে কাজ করে এই যন্ত্র। চার্জারের একটি অংশ ডায়নামা এবং অন্য অংশ বাফার। যন্ত্রটা রাখা হয় ঠিক গোড়ালির নিচে। হাঁটা শুরু হলে গোড়ালিতে চাপ পড়ে। গোড়ালির এই চাপ থেকে শক্তি উৎপন্ন হয়। সেই শক্তি ডায়নামা ঘোরাতে সাহায্য করে।  ডায়নামা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক শক্তি তৈরি হয়। এই বিদ্যুৎ দিয়েই চার্জ হবে মোবাইল ফোন।

খরচ

এরকম একটা চার্জার বানাতে প্রাথমিক ভাবে খরচ হয়েছে ২০০০ টাকা। তবে যখন এক সঙ্গে অনেকগুলো চার্জার বানানো শুরু হবে, তৈরির খরচ অনেকটাই কমে যাবে। বর্তমানে যে চার্জার তারা বানিয়েছেন, তার আকারটাও বেশ বড়। পায়ে পরতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেটাও খতিয়ে দেখছেন তারা। আর এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তা বাজারে চলে আসবে, বলেও জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!