মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসি বাংলাদেশের পাশে থাকবে পিএসসির মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে রাষ্ট্রপতির পরামর্শ যুক্তরাষ্ট্র চট্টগ্রামে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী -রাষ্ট্রদূত মিলার প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রে জনসন এন্ড জনসনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন অনুমোদন কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল শনিবার প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখবেন সৌদি সাংবাদিক খাসোগি হত্যার বিষয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখেছেন বাইডেন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নে তৃণমূলের রেজুলেশন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ কঙ্গোতে অতর্কিত হামলায় নিহত রাষ্ট্রদূতের লাশ ইতালি পৌঁছেছে

সুন্দরবন সীমান্তঘেঁষে হরিনগর-কৈখালীর নৌযুদ্ধ

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

ভৌগোলিক দিক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা সীমান্তগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলকে শক্তিশালী করতে মুক্তিবাহিনীর প্রয়োজন ছিল সুন্দরবনের মধ্যে বিছিয়ে থাকা নৌপথগুলো ব্যবহার করা। পাকিস্তানিরাও নৌপথ ব্যবহার করে শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করতে ছিল মরিয়া। বনের ভেতর দিয়ে ভারত থেকে আসা অস্ত্রবাহী প্রধান লঞ্চ দু’টি বিধ্বস্ত করতে পারলেও পরে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডো, গেরিলা বাহিনী, ইপিআর ও ভারতীয় ডিফেন্স সদস্যদের ঐকান্তিক চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তীরে ভিড়তে পারেনি পাকিস্তানিদের কোনো গানবোট।

শ্যামনগরের সুন্দরবন এলাকা ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে। মেজর এমএ জলিল ছিলেন সেক্টর কমান্ডার (এপ্রিল-ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ)। পরে কিছুদিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন মেজর জয়নুল আবেদীন। কালিন্দী নদীর পাড়ে ভারতের শমসেরনগরে ছিল সাব-সেক্টর ক্যাম্প। এপারে নদী ঘেঁষে কৈখালী বিওপিতে ছিল মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প। ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন সুবেদার সেলিম, বাশার ও ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগ। তাদের নেতৃত্বেই মূলত শ্যামনগর, গাবুরা, হরিনগর, কৈখালী, ভেটখালি প্রভৃতি এলাকায় যুদ্ধ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!