শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী দুবাই সফরে ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা —পররাষ্ট্র মন্ত্রী রাজবাড়ীতে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় রাজবাড়ী সদরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ব্রিফিং বাংলাদেশী রসনায় তৃপ্ত সিঙ্গাপুরের অধিবাসী ও বিদেশী কুটনীতিকগণ পাংশা উপজেলা স্কাউটস্’র ৭ম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুর পৌর এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পাংশার ধুলিয়াটে বিরোধপূর্ণ জমি থেকে জোরপূর্বক ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাংশায় সৈয়দ বায়তুল্লাহ কিন্ডার গার্টেনে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান বালিয়াকান্দিতে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায় রাজবাড়ীর ইফতি মোশারফসহ ২৫জনকে অভিযুক্ত চার্জশীট দাখিল

সুন্দরবন সীমান্তঘেঁষে হরিনগর-কৈখালীর নৌযুদ্ধ

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

ভৌগোলিক দিক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা সীমান্তগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলকে শক্তিশালী করতে মুক্তিবাহিনীর প্রয়োজন ছিল সুন্দরবনের মধ্যে বিছিয়ে থাকা নৌপথগুলো ব্যবহার করা। পাকিস্তানিরাও নৌপথ ব্যবহার করে শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করতে ছিল মরিয়া। বনের ভেতর দিয়ে ভারত থেকে আসা অস্ত্রবাহী প্রধান লঞ্চ দু’টি বিধ্বস্ত করতে পারলেও পরে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডো, গেরিলা বাহিনী, ইপিআর ও ভারতীয় ডিফেন্স সদস্যদের ঐকান্তিক চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তীরে ভিড়তে পারেনি পাকিস্তানিদের কোনো গানবোট।

শ্যামনগরের সুন্দরবন এলাকা ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে। মেজর এমএ জলিল ছিলেন সেক্টর কমান্ডার (এপ্রিল-ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ)। পরে কিছুদিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন মেজর জয়নুল আবেদীন। কালিন্দী নদীর পাড়ে ভারতের শমসেরনগরে ছিল সাব-সেক্টর ক্যাম্প। এপারে নদী ঘেঁষে কৈখালী বিওপিতে ছিল মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প। ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন সুবেদার সেলিম, বাশার ও ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগ। তাদের নেতৃত্বেই মূলত শ্যামনগর, গাবুরা, হরিনগর, কৈখালী, ভেটখালি প্রভৃতি এলাকায় যুদ্ধ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!