বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
লম্পট তারিকুলের বিচার ও মা’কে ফিরে পেতে চায় প্রতিবন্ধী সন্তানরা॥ডিসির নিকট স্মারকলিপি প্রদান বালিয়াকান্দিতে বাজারে পেঁয়াজের দাম মনিটরিং করলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব তুরস্কের বিরুদ্ধে এবার যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পাংশায় দুইটি সংস্থা পরিদর্শন করলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পাংশার হাবাসপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পুরুষদের দায়িত্ব-ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কালুখালীতে জব্দকৃত আড়াই মণ ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরণ দলীয় সমর্থক আবু ডাক্তারের মৃত্যুতে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের শোক রাজবাড়ীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ও স্যানিটেশন মাস উপলক্ষে র‌্যালী-হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত

সুন্দরবন সীমান্তঘেঁষে হরিনগর-কৈখালীর নৌযুদ্ধ

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

ভৌগোলিক দিক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনঘেঁষা সীমান্তগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলকে শক্তিশালী করতে মুক্তিবাহিনীর প্রয়োজন ছিল সুন্দরবনের মধ্যে বিছিয়ে থাকা নৌপথগুলো ব্যবহার করা। পাকিস্তানিরাও নৌপথ ব্যবহার করে শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করতে ছিল মরিয়া। বনের ভেতর দিয়ে ভারত থেকে আসা অস্ত্রবাহী প্রধান লঞ্চ দু’টি বিধ্বস্ত করতে পারলেও পরে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডো, গেরিলা বাহিনী, ইপিআর ও ভারতীয় ডিফেন্স সদস্যদের ঐকান্তিক চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তীরে ভিড়তে পারেনি পাকিস্তানিদের কোনো গানবোট।

শ্যামনগরের সুন্দরবন এলাকা ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে। মেজর এমএ জলিল ছিলেন সেক্টর কমান্ডার (এপ্রিল-ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ)। পরে কিছুদিনের জন্য দায়িত্ব পালন করেন মেজর জয়নুল আবেদীন। কালিন্দী নদীর পাড়ে ভারতের শমসেরনগরে ছিল সাব-সেক্টর ক্যাম্প। এপারে নদী ঘেঁষে কৈখালী বিওপিতে ছিল মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প। ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন সুবেদার সেলিম, বাশার ও ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগ। তাদের নেতৃত্বেই মূলত শ্যামনগর, গাবুরা, হরিনগর, কৈখালী, ভেটখালি প্রভৃতি এলাকায় যুদ্ধ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!