॥আসহাবুল ইয়ামিন রয়েন॥ রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল ২১শে আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলীর সভাপতিত্বে সভায় রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(ক্রাইম) মোঃ আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) রেবেকা খান, জেল সুপার মোঃ আনোয়ারুল করিম, রাজবাড়ী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এ.এইচ.এস মোঃ আলী ও রাজবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন মন্ডল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এ সময় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ এম.এ খালেক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার পরিচালক মোঃ আব্দুল কাদের শেখ, রাজবাড়ী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল হামিদ খান, জেলা ইমাম কমিটির সভাপতি খোন্দকার আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মোঃ ওলিউর রহমান এবং বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগণসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী বলেন, আসন্ন ঈদুল আযহায় মানুষ ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী কোরবানী দিবেন। সে জন্য কোরবানীর পশুর আবর্জনা ও বর্জ্যরে সৃষ্টি হবে। এই আবর্জনা ও বর্জ্য থেকে যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে সে জন্য পৌরসভাকে যথাসময়ে তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে। রাজবাড়ী বাজারের বিভিন্ন জায়গায় ড্রেন পরিষ্কার না করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। এই ড্রেন পরিষ্কার করাসহ বাজারের পাশাপাশি সকল জায়গার জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভাকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক জেলার বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এরআগে এমন জেলা প্রশাসক পাইনি, যিনি নিজে সার্বক্ষণিকভাবে উপস্থিত থেকে বন্যা কবলিতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। রাজবাড়ী জেলাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি রাজবাড়ী জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, জেলার প্রধান ঈদের জামাত বরাবরের ন্যায় রাজবাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা রেলওয়ে কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ ময়দানে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। জামাতে ইমামতি করবেন রাজবাড়ী কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মোস্তফা সিরাজুল কবীর। মহিলাদের নামাজ আদায়ের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে। জেলার অন্যান্য জায়গার ঈদের জামাত তাদের সুবিধামত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। বন্যা কবলিত মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করে এবার কোন আলোকসজ্জা করা হবে না। ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাসহ হাসপাতাল, জেলখানা ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।