Site icon দৈনিক মাতৃকণ্ঠ

রাজবাড়ী জেলা আ’লীগের সভায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ

॥স্টাফ রিপোর্টর॥ রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের মাসিক সভা গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা কমিটির সভাপতি রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী।
সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শেখ আব্দুর সোহবান, সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার, সহ-সভাপতি ও রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোঃ হেদায়েত আলী সোহরাব, দপ্তর সম্পাদক ও বানিবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মোস্তফা বাচ্চু, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এএফএম শফিউদ্দীন পাতা, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ শফিকুল মোর্শেদ আরুজ, কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান নবাব, সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম খায়ের, বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল হান্নান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুল আলম সুফি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ রমজান আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওহিদুজ্জামান শেখ, গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল(জাসদ) এর জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ নিজাম মন্টুর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব ও এক মিনিট নিরবতা পালন করেন সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ।
এরপর সভায় আগামী ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বাার্ষিকী ও মুজিববর্ষ পালনসহ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন নিয়ে গুরুত্বপূর্ন আলোচনা হয়।
এছাড়া সভায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সারা দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা করে তাদের জন্য গৃহ নির্মাণের কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজবাড়ী জেলায় যে সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার আছে তাদের তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রে প্রেরণ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়াও সভায় গোয়ালন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ মোস্তফা মুন্সীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্যদের করণীয় এবং দলীয় প্রার্থী বিরুদ্ধে গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহন নিয়ে আলোচনা করা হয়।