॥আশিকুর রহমান॥ জনগণের সেবায় বাবাকে সহযোগিতা করতে সম্প্রতি রাজনীতির মাঠে নেমেছন রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলীর একমাত্র কন্যা কানিজ ফাতেমা চৈতী।
হঠাৎ করে তার সরাসরি রাজনীতির মাঠে আগমনকে জেলার রাজনীতির নতুন চমক বলে মনে করছেন জেলাবাসী। এছাড়াও রাজনীতিতে তার এ শুভাগমন রাজবাড়ীর রাজনীতিতে নতুন নক্ষত্র বলে মনে করছেন অনেকেই।
গত ১০ই মার্চ কানিজ ফাতেমা চৈতির রাজনীতিতে আগমনের বিষয় নিয়ে রাজবাড়ী জেলার বহুল প্রচারিত দৈনিক মাতৃকন্ঠ পত্রিকা ও পত্রিকার অনলাইন ও ফেসবুক পেইজে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। “রাজবাড়ীর রাজনীতিতে নতুন মুখ॥এলাকার উন্নয়নে এমপি পিতাকে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছি”-এ শিরোনামে সংবাদটি প্রকাশিত হবার পর থেকেই জেলার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
দৈনিক মাতৃকন্ঠের অনলাইন ভার্সন, সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক পেইজ ও ফেসবুক আইডিতে শেয়ার হওয়া প্রকাশিত সংবাদটির এ পর্যন্ত ২০সহস্রাধিক মানুষের নজরে এসেছে। শেয়ার হয়েছে কয়েক শত। সংবাদটি পড়ে কমেন্ট বক্সে জেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ কানিজ ফাতেমা চৈতীকে রাজবাড়ীর রাজনীতির নতুন সম্ভাবনাময় উজ্জল নক্ষত্র উল্লেখ করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য কমেন্ট পত্রস্থ করা হলো ঃ
# রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসেন কানিজ ফাতেমা চৈতীকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন- এগিয়ে যাও মামা।
# রাজবাড়ী সরকারী আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা চৌধুরী রন্টু লিখেছেন- শুভেচ্ছা রইলো।
# রাজবাড়ী সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান পিয়াল লিখেছেন- জনগনের সেবা করা মহৎ কাজ। এগিয়ে যাও শুভকামনা।
# গোয়ালন্দের সাংবাদিক শামীম শেখ লিখেছেন- শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
# মোঃ শামসুদ্দিন নামে একজন লিখেছেন- কানিজ ফাতেমা চৈতী সরাসরি রাজনীতির মাঠে আগমন করায় প্রাণঢালা অভিনন্দন। প্রিয় আপা, আপনার কাছে আমার বিনীত নিবেদন, আপনি রাজবাড়ী জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মী সংগ্রহ করুন। কারণ আমাদের জেলার নারীরা রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক পিছিয়ে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
# রকিব হাছান মিঠু নামে একজন লিখেছেন- মনে হচ্ছে আগামীতে একটি ভালো নির্বাচন হবে। শুভেচ্ছা আপু।
# মনিরুল ইসলাম মঈন লিখেছেন- সুন্দর সিদ্ধান্তের জন্য আপনাকে অভিনন্দন।
# সাদ্দাম হোসেন লিখেছেন- যোগ্য পিতামাতার যোগ্য কন্যাকে তার যোগ্য আসনে দেখতে চাই। রাজবাড়ীবাসীর এমনই চাওয়া। রাজবাড়ীর জনগন আপনার সাথে আছে এবং আমৃত্যু থাকবে।
# শরীফ আজম নামে একজন লিখেছেন- আগামীতে রাজবাড়ী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চাই।
# মোঃ ইউসুফ মিয়া নামে একজন কানিজ ফাতেমার দাদা প্রয়াত কাজী হেদায়েত হোসেনকে স্মরণ করে লিখেছেন- দোয়া করি দাদার যোগ্য উত্তরসুরী হন।
# জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান মজনু লিখেছেন- চৈতী ম্যাডামকে এমপি হিসাবে দেখতে চাই। জবাবে চৈতী লিখেছেন আমি আমার বাবাকে এমপি হিসাবে দেখতে চাই আপনাদের সহযোগিতায়।
# সিনিয়র আইনজীবী হাবিব হেনা লিখেছেন- অভিনন্দন। চালিয়ে যান।
এছাড়াও আরো বিপুল সংখ্যক মানুষ ফেসবুকে কানিজ ফাতেমা চৈতীকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, দৈনিক মাতৃকন্ঠ পত্রিকায় কানিজ ফাতেমাকে নিয়ে সংবাদটি প্রকাশ হবার পর ফেসবুক ছাড়াও জেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়, চায়ের দোকানে এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বেশীর ভাগ মানুষই কানিজ ফাতেমা চৈতীর রাজনীতির মাঠে আগমনকে শুভেচ্ছাসহ সমর্থন জানিছেন।
উল্লেখ্য, কানিজ ফাতেমা চৈতী মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গোয়ালন্দ মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক গণপরিষদ সদস্য প্রয়াত কাজী হেদায়েত হোসেনের নাতনী এবং সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রেবেকা সুলতানা সাজুর একমাত্র কন্যা। তার স্বামী মোঃ আসিফ ইকবাল পেশায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার এবং শ্বশুর আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান বগুড়া-৫ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় ঃ চৈতী রাজবাড়ীর রাজনীতির নতুন নক্ষত্র!
