বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কামাল বেঁচে থাকলে দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতো : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিনহা হত্যাকান্ডে তদন্তে যাদের নাম আসবে তাদের সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে : যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দু’বাহিনী প্রধান বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৪জন বাংলাদেশী নিহত : আহত ১০০ জন করোনা মহামারির মধ্যে অর্থনৈতিক ধস বিশ্বে সহিংসতা আরো বাড়িয়ে দেবে : জাতিসংঘ পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক মেজর সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন : দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আশ্বাস জরুরী প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে না যাওয়ার নির্দেশনা॥দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়নে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত॥প্রশাসন নীরব! বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে বিশ্ব ব্যাংকের ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুমোদন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রাজবাড়ীতে ধূমপান ও তামাক আইন সংক্রান্ত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

॥আসহাবুল ইয়ামিন রয়েন॥ রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল ৪ঠা ডিসেম্বর সকাল ১০টায় কালেক্টরেটের সম্মেলন কক্ষে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার(নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে গঠিত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক দিসাদ বেগমের সভাপতিত্বে সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান সরকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোবাশ্বের হাসান, জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এএফএম শফিউদ্দিন পাতা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূরে সফুরা ফেরদৌস, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মঞ্জুরুল হক, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সূর্য কুমার প্রামানিক ও এনজিও রাসের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান লাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময় টাস্কফোর্স কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগণসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার(নিয়ন্ত্রণ) আইন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। এই আইন বাস্তবায়নের আগে আমাদেরকে তামাক জাতীয় দ্রব্যের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে এবং ধূমপান করলে শুধু ধূমপায়ীরই নয় তার আশেপাশে যারা অবস্থান করে তাদেরও যে সমান পরিমাণে ক্ষতি হয় সে বিষয়ে আরো বেশী সচেতন হতে হবে। আমাদের দেশের তরুণদের চেয়ে তারুণ্যের গন্ডি পেরোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধূমপায়ী বেশী। এর কারণ যারা ধূমপান করে তাদের অধিকাংশই তরুণ বয়স থেকে ধূমপান করতে শিখে তারুণ্যের গন্ডি পেরিয়ে নিয়মিত ধূমপায়ীতে পরিণত হয়। ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে সবার আগে তরুণদের সচেতন করতে হবে। যদি কিশোর বয়স অর্থাৎ স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীদের ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে সচেতন করা যায় তাহলে আরো ভালো হয়। শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে ধূমপান একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এর জন্য অবশ্যই পরিবার থেকে প্রথমে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেই প্রতিরোধ থেকে সমাজ তথা রাষ্ট্র থেকে তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার ও ধূমপান নির্মূল করা সম্ভব হবে। সেই জন্য আমি মনে করি আমাদের সকলের পরিবার থেকে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত। যাতে এই প্রতিরোধের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ২০৪১ সালের মধ্যে তামাক জাতীয় দ্রব্য ও ধূমপানমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। এছাড়াও তিনি তার বক্তব্যে তামাক জাতীয় দ্রব্য বিক্রয় ও পাবলিক প্লেসে ধূমপান না করাসহ আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং ব্যবসায়ীদের প্রতি ১৮ বছরের নীচের বয়সী কারো কাছে তামাক জাতীয় দ্রব্য বিক্রি না করার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর