Site icon দৈনিক মাতৃকণ্ঠ

রাজবাড়ীর ইয়াছিন উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন

॥চঞ্চল সরদার॥ রাজবাড়ী জেলার প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইয়াছিন উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল ২৮শে এপ্রিল বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রবেশ গেটের মধ্যে এই ডিজিটাল হাজিরার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী।
শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ডিজিটাল পরিচয়পত্রটি পাঞ্চ করা মাত্রই ডিজিটাল হাজিরা হয়ে যাবে। আর যদি বিদ্যালয়ের কোন ছাত্র-ছাত্রী না আসে তাহলে তার অনুপস্থিতির বার্তাটি মোবাইলে পরিবারের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছ যাবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদা খানম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারী শিক্ষক আহম্মদ ফারুক, ফেরদৌস আরা বেগম, বজলুর রশিদ, আলপনা রানী সরকার, মোফাজ্জেল হোসেন ও সুকুমার বিশ^াস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, রাজবাড়ী জেলায় যতগুলো হাই স্কুল আছে তার মধ্যে আমরাই সর্বপ্রথম এই ডিজিটাল হাজিরা চালু করলাম। এটা চালু করার উপকারিতা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা যখন স্কুলে ঢুকবে, কয়টার সময় আসছে-সেটা এখানে থাকবে এবং তাদের বাবা-মায়ের মোবাইলে মেসেজ চলে যাবে ছেলে-মেয়েরা এতটার সময় স্কুলে ঢুকলো। আবার যখন বের হবে ডিজিটাল হাজিরায় কার্ড দেখালে আবার তার বাবা-মায়ের কাছে মেসেজ চলে যাবে যে তারা কয়টায় স্কুল থেকে বের হয়েছে। আমাদের শিক্ষকদেরও ডিজিটাল হাজিরা করা হয়েছে। ডিজিটাল হাজিরার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একটা নিয়মের মধ্যে আসবে। স্কুলের নিয়ম-শৃঙ্খলা এমনিতেই ভালো আছে, আরো ভালো হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদা খানম বলেন, আমরাই প্রথম আমাদের স্কুলে এই ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন করলাম। শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারীরা কে কখন স্কুলে আসলো তার একটা রিপোর্ট থাকবে। আমাদের শিক্ষকরা খুবই সচেষ্ট, তারা কখনো দেরী করে না-তারপরও আমরা এটা করলাম যাতে যথাসময়ে তারা স্কুলে হাজির হতে পারে। এটা করাতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়বে। অভিভাবকরা সচেতন হবে। কোন ছাত্র-ছাত্রী কত দিন স্কুলে অনুপস্থিত সেটা জানা যাবে। তাদের পরিবারের কাছে স্কুলে উপস্থিতি-অনুপস্থিতির মেসেজ মেবাইলে চলে যাবে। আমি আশা করি, এতে স্কুলটি আরো উন্নতি লাভ করবে। আদর্শ স্কুল হিসেবে গড়ে উঠবে।