কালুখালী উপজেলায় নির্বাচন আজ ৪স্তরের নিরাপত্তায় ৪৬টি ভোট কেন্দ্র কালুখালী উপজেলায় নির্বাচন আজ ৪স্তরের নিরাপত্তায় ৪৬টি ভোট কেন্দ্র – দৈনিক মাতৃকণ্ঠ
মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনাম ::
পাল্টে যাচ্ছে গোয়ালন্দ মোড় ও রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ের নাম ফরিদপুরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মসজিদের খাদেমের মৃত্যু নগরকান্দার জোড়া খুনের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন-মানববন্ধন রাজবাড়ী ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাঙ্গায় জুয়েলার্সের মধ্যে ইয়াবা বেচাকেনার সময় ৪জন গ্রেপ্তার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বালিয়াকান্দিতে ইফার আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ ডিবির অভিযানে দাদশী থেকে ইয়াবাসহ বিক্রেতা গ্রেফতার বালিয়াকান্দিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সোনাকান্দরে দোয়া মাহফিল ফরিদপুরে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ বিক্রেতা গ্রেপ্তার

কালুখালী উপজেলায় নির্বাচন আজ ৪স্তরের নিরাপত্তায় ৪৬টি ভোট কেন্দ্র

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯

॥স্টাফ রিপোর্টার॥ পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে আজ ১৮ই জুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলার ৪৬টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে। গতকাল সোমবার ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনের যাবতীয় উপকরণ প্রেরণ করা হয়েছে।
কালুখালী উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান জানান, নির্বাচনে মোট ৫৬০জন পুলিশ ও ৫৫২জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। ৪৬টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র গুলোতে ৭জন করে পুলিশ ও ১২জন করে আসনার সদস্য এবং সাধারণ ভোট কেন্দ্র গুলোতে ৬জন করে পুলিশ ও ১২জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও পুলিশের ১৫টি মোবাইল টিমে ৫জন করে ৭৫জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ৫টি টিমে ৫জন করে ২৫জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে এবং রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে ২০জন পুলিশ সদস্য স্ট্যান্ডবাই থাকবে।
এর পাশাপাশি ৬টি প্লাটুনের ২০ জন করে ১২০ জন বিজিবি সদস্য এবং ৬টি টিমে ৮জন করে ৪৮জন র‌্যাব সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য ২০জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মধ্যে বিজিবির অতিরিক্ত ১ প্লাটুন রিজার্ভ ফোর্সের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। ৩জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম তদারকিতে নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও গত ১৬ই জুন থেকে নির্বাচনী এলাকায় ১জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৬জন সাংবাদিককে সাংবাদিক পরিচয়পত্র প্রদান করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।
উল্লেখ্য, বিগত ২০১০ সালে কালুখালী উপজেলা গঠিত হওয়ার পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
২০১৪ সালের ১৯শে মে অনুষ্ঠিত কালুখালী উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী কাজী সাইফুল ইসলাম(আনারস) প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এ বারের নির্বাচনে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৭৬৭ জন। তাদের মধ্যে ৫৯ হাজার ৮৫৫ জন পুরুষ এবং ৫৭ হাজার ৯১২ জন মহিলা ভোটার। মোট ৪৬টি ভোট কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে ৩জন চেয়ারম্যান, ৭জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ৪জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।
চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন ঃ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম(নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী হক (মোটর সাইকেল) এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলিউজ্জামান চৌধুরী টিটো(আনারস)।
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর হলেন ঃ কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তনয় চক্রবর্তী শম্ভু(টিয়া পাখি), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান আরাফাত হোসেন(তালা), আইন বিষয়ক সম্পাদক এডঃ আব্দুস সাত্তার(উড়োজাহাজ), সাংবাদিক মোহাম্মদ ফজলুল হক(টিউবওয়েল), এনায়েত হোসেন(মাইক), রফিকুল ইসলাম(চশমা) এবং একেএম মোজাম্মেল হক(বৈদ্যুতিক ভাল্ব)।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন ঃ বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার টুকটুকি(প্রজাপতি), উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেহানা পারভীন(হাঁস), ডলি পারভীন(ফুটবল) এবং রাশিদা ইয়াসমিন(কলস)।
এ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরুর পর থেকে বহু সহিংস ঘটনায় বেশ কিছু মানুষ আহত ও কিছু বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুরের প্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, নির্বাচন অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হলে আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। ভোট আমাদের নাগরিক অধিকার। প্রশাসন আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ তৈরী করে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: আপনি নিউজ চুরি করছেন, চুরি করতে পারবেন না !!!!!!